1. admin@zakiganjdarpan.com : admin :
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
​উত্তরকুল ডাকাতির ঘটনায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ১ সদস্য গ্রেফতার  অপরাধ নির্মূলে জকিগঞ্জ পুলিশের কঠোর বার্তা: “তথ্য দিন, পরিচয় গোপন রাখবে পুলিশ” কানাইঘাটে জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়নের বিশেষ অভিযান: ১০৭ বোতল ভারতীয় মদ ও পিকআপসহ ২১ লাখ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ ​জকিগঞ্জ-শেওলা সড়কে কাজের মান রক্ষায় কঠোর অবস্থান, ইউনিয়ন পর্যায়ে হচ্ছে প্রতিরোধ কমিটি ​ ওয়াজেদ আলী মজুমদার বিদ্যালয়ের পুরোনো মালামাল বিক্রি নিয়ে আলোচনার ঝড় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় বড়পাথর মাদ্রাসার চমকপ্রদ সাফল্য: ৪টি গ্রুপে প্রথম স্থানসহ ৬ জন শিক্ষার্থীর অনন্য গৌরব জকিগঞ্জে হুফফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশনের জাতীয় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা সম্পন্ন জকিগঞ্জ-শেওলা সড়কে কাজের নামে হরিলুট! ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আস্তর ভাঙছে, ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী ​ জকিগঞ্জে আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডে দুই পরিবারের বসতঘর পুড়ে ছাই, চার লাখ টাকার ক্ষতির আশঙ্কা ​ ​জকিগঞ্জ-শেওলা সড়কের সংস্কার কাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহার: এলাকাবাসী ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড়

নুমান হত্যার বর্ষপূর্তি: থানা থেকে সিআইডি, জট খুলছে না রহস্যের

মিজানুর রাহমান
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬

জকিগঞ্জ উপজেলার কালিগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী নুমান উদ্দিন হত্যার এক বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। ঘটনার দুই দিন পর নিজ বাড়ির নিকটবর্তী একটি ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার হয় তাঁর মরদেহ। এরপর হত্যা মামলা দায়ের, শ্যালককে আটক করে রিমান্ডে নেওয়া, নানা পাল্টাপাল্টি অভিযোগ এবং থানার গণ্ডি পেরিয়ে তদন্তভার সিআইডিতে ন্যস্ত হওয়া—সবকিছুই ঘটেছে। কিন্তু দীর্ঘ এক বছরেও নুমান হত্যার প্রকৃত রহস্য উন্মোচন হয়নি। কারা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত, কোথায় তাঁকে হত্যা করা হয়েছিল এবং এর পেছনের মূল কারণ কী—এমন বহু প্রশ্ন এখনো ঘুরপাক খাচ্ছে।

​ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নুমানের মাথায় আঘাত এবং মস্তিষ্কের ডান পারিয়েটাল অংশে প্রায় ১৫০ সিসি সাবডুরাল হেমাটোমা শনাক্ত করা হয়। চিকিৎসকের চূড়ান্ত মতামতে মাথায় আঘাত ও আঘাতজনিত শকের ফলে তাঁর মৃত্যু ঘটে এবং মৃত্যুর প্রকৃতি হিসেবে একে ‘হোমিসাইডাল ইন নেচার’ বা হত্যাকাণ্ড বলে উল্লেখ করা হয়। অর্থাৎ চিকিৎসকদের স্পষ্ট মতামত সত্ত্বেও অপরাধীদের মুখ থেকে এখনো পর্দা ওঠেনি।

​তথ্যসূত্রে জানা যায়, নুমান উদ্দিন জকিগঞ্জ উপজেলার ৯ নম্বর মানিকপুর ইউনিয়নের পূর্ব মানিকপুর গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বারের সন্তান। প্রবাসে দীর্ঘ সময় কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি কালিগঞ্জ বাজারে সুপারি ব্যবসা শুরু করেছিলেন। ২০২৫ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সকালে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার কথা বলে তিনি গৃহত্যাগ করেন। এরপর আর ফেরেননি। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হলেও পরদিনও তাঁর কোনো খোঁজ মেলেনি। অবশেষে ১ অক্টোবর বিকেলে শায়লা স্মৃতি হাসপাতালের পেছনের একটি ধানক্ষেত থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

​পরবর্তীতে নিহতের জ্যেষ্ঠ কন্যা জান্নাতুল ফেরদৌস মুন্নি জকিগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মরদেহ উদ্ধারের পর ন্যায়বিচার ও অপরাধীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে কালিগঞ্জ বাজারে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশও অনুষ্ঠিত হয়।

​এর পরপরই তদন্ত শুরু করে জকিগঞ্জ থানা পুলিশ। তদন্তের এক পর্যায়ে নিহতের শ্যালক হানিফ উদ্দিন সুমনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে আদালত তাঁকে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তখন নুমান উদ্দিনের সঙ্গে সুমনের পারিবারিক ও সম্পত্তিগত দ্বন্দ্বের বিষয়টি তদন্তে উঠে আসার কথা জানানো হয়েছিল। রিমান্ডে পুলিশ কিছু তথ্য পেয়েছে বলেও দাবি করা হলেও, সেগুলোর ভিত্তিতে তদন্ত কোন পথে অগ্রসর হয়েছিল—তা পরবর্তীতে আর প্রকাশ করা হয়নি।

​পরবর্তীতে মামলার বাদী তদন্ত কার্যক্রমে অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালতের দারস্থ হন। তাঁর আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলাটি সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়। ২০২৬ সালের ১১ জানুয়ারি সিআইডি আনুষ্ঠানিকভাবে মামলাটির দায়িত্ব গ্রহণ করে।

​তবে সিআইডির দীর্ঘ প্রায় নয় মাসের তদন্তেও এখন পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের রহস্য ভেদ বা অপরাধীদের শনাক্তকরণের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত তথ্য জনসমক্ষে আসেনি।

​অভিযুক্ত শ্যালক হানিফ উদ্দিন সুমন শুরু থেকেই নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আসছেন। তাঁর ভাষ্যমতে, সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন তথ্যের সুপরিকল্পিত জালের মাধ্যমে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে।

​সুমনের দাবি, নুমান নিখোঁজ হওয়ার পর তিনি চরম উৎকণ্ঠায় তাঁকে খুঁজে ফিরেছেন। অথচ সেই সময় নুমানের আপন ভাইসহ পরিবারের কেউ খোঁজ নেননি। কিন্তু মরদেহ উদ্ধারের পরপরই নুমানের ভাই রিয়াজসহ প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁদের বাড়িতে গিয়ে অসত্য তথ্য ছড়িয়ে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি করেন এবং হামলা ও মারধরের মাধ্যমে পুরো ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করেন।

​সুমনের দাবি, তিনি মামলার একজন সাক্ষী হওয়া সত্ত্বেও পুলিশের সঙ্গে যোগসাজশ করে তাঁকে আসামি করা হয়েছে। পরবর্তীতে তাঁকে আটক করে রিমান্ডে নেওয়া হয়। তাঁর ভাষায়, “আমি নির্দোষ হওয়ায় ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। বরং অপর পক্ষ আমার বিরুদ্ধে যা যা ভিত্তিহীন কথা রটিয়েছিল, তা আমি প্রমাণের মাধ্যমেই খণ্ডন করেছি। তবুও পুলিশ জনরোষ প্রশমনে আমাকে বিনা কারণে অপরাধী সাব্যস্ত করেছে।”

​তাঁর অভিযোগ, তাঁকে গ্রেপ্তারের মাধ্যমেই মূল ঘটনাকে আড়াল করার চেষ্টা চালানো হয়েছে। নুমানের কোনো পুত্রসন্তান না থাকায় তাঁর দুই কন্যার অসহায়ত্বকে পুঁজি করে একটি চক্র পরিস্থিতি ঘোলাটে করে তুলেছে।

​সুমন আরও যোগ করেন, জকিগঞ্জ থানার তৎকালীন ওসি মুন্নার মাধ্যমে মামলার বাদী তাঁর ভাগনি জান্নাতুল ফেরদৌস মুন্নিকে সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলতে বারণ করা হয়েছিল। এর সুবাদে নুমানের পরিবারকে মানুষের চোখে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ।

​সুমনের প্রশ্ন, এত সব ধোঁয়াশা থাকা সত্ত্বেও সিআইডি কেন এখনো আসামিদের নাগাল পাচ্ছে না এবং রহস্যের জট ছুটিয়ে আনতে ব্যর্থ হচ্ছে?

​মামলার বাদী জান্নাতুল ফেরদৌস মুন্নির বক্তব্য অনুযায়ী, নুমান উদ্দিনের সঙ্গে প্রতিবেশী শাহ আলম, চাচি রাবেয়া বেগম, চাচা রিয়াজ উদ্দিন, দূরসম্পর্কের চাচা আল আমিন, আব্দুস সামাদ, জামিল আহমদ ও কবির আহমদের স্থাবর সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।

​পাশাপাশি প্রতিবেশী নিজাম উদ্দিন, বদরুল ইসলাম বুদুর মিয়া এবং তেরা মিয়াকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

​মুন্নির দাবি, ঘটনার পরদিন তাঁদের সন্দেহভাজন জামিল প্রবাসে পালিয়ে গেছেন। তাঁর আরও অভিযোগ, আরেক সন্দেহভাজন শাহ আলমও নিজের ব্যবসা গুটিয়ে লাপাত্তা রয়েছেন।

​বাদীর অভিযোগে অভিযুক্ত রিয়াজ উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর নাগাল পাওয়া যায়নি। তবে তাঁর সহধর্মিণী রাবেয়া বেগম বলেন, “নিহতের শ্যালক সুমন অপরাধ না করলে পুলিশ কি আর এমনিতেই ধরে নিয়ে যেত?” তিনি এ ঘটনার জন্য সুমনকেই দায়ী করেন। একই সঙ্গে শাহ আলম পলাতক নন বলেও দাবি করেন তিনি। এর বাইরে আর কোনো মন্তব্য করতে চাননি রাবেয়া।

​নিহত নুমানের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম জানান, দীর্ঘ বছর ধরে তাঁদের পৈতৃক ভিটা নিয়ে বিরোধ ও মামলা চলমান ছিল। এই জেরে নুমান এর আগেও স্থানীয় মসজিদে হামলার শিকার হয়েছিলেন। পরবর্তীতে কালিগঞ্জ বাজারেও তাঁর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছিল বলে দাবি তাঁর।

​মনোয়ারার ভাষ্য অনুযায়ী, নুমান নিখোঁজ হওয়ার পরের দিনই ওই মামলার শুনানির দিন ধার্য থাকায় তাঁর সিলেটে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আকস্মিক নিখোঁজ হওয়ার কারণে তিনি যেতে পারেননি।

​নিখোঁজ হওয়ার আগের রাতের একটি ঘটনাকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মনে করেন মনোয়ারা। তাঁর দাবি, স্থানীয় একটি দোকানে বিস্কুট ক্রয়কে কেন্দ্র করে নুমানের সঙ্গে এক দোকানদারের কথাকাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। পরবর্তীতে বদরুল ইসলাম বুদুর মিয়া নামের এক ব্যক্তি নুমানকে একাধিকবার মুঠোফোনে কল করেন। সেই বিষয়টির পরদিন মীমাংসা হওয়ার কথা থাকলেও সেদিনই নুমান রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন।

​পরিবারের পক্ষ থেকে ওই ঘটনাটিকেও তদন্তের আওতায় নিয়ে আসার জোরালো দাবি জানানো হয়েছে।

​যেখান থেকে নুমানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল, সেই শায়লা স্মৃতি হাসপাতালের পেছনের ধানক্ষেত ও সংলগ্ন এলাকাটি বেশ নির্জন বলে স্থানীয়দের অভিমত।

​নিহতের স্ত্রীর ধারণা, হত্যাকাণ্ডটি ওই নির্জন এলাকাতেই সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে। তিনি হাসপাতালের কেয়ারটেকার তেরা মিয়াকে গভীর জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনার অনুরোধ জানিয়েছেন। তাঁর মতে, তাঁকে জেরা করলেই ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ সূত্র মিলতে পারে।

​মামলার বর্তমান তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক সালেক আহমদ জানান, “তদন্ত অনেক দূর এগিয়ে গেছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আপনারা ইতিবাচক কোনো ফলাফল দেখতে পাবেন।”

​অন্যদিকে সিআইডি সিলেটের বিশেষ পুলিশ সুপার এহতেশামুল হক বলেন, “এই মামলার উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি আমরা এখনো দেখতে পাচ্ছি না। তবে রহস্য উন্মোচনের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আমরা আমাদের তরফ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তারপরও যদি কোনো কূলিনারা না মেলে, তবে আমরা আমাদের কার্যক্রম গুটিয়ে নেব।”

​এদিকে নুমান উদ্দিন ২৯ সেপ্টেম্বর সকালে গৃহত্যাগের পর ঠিক কোথায় গিয়েছিলেন? তাঁর সঙ্গে সর্বশেষ কার কার ফোনে বা সরাসরি কথা হয়েছিল? কেউ কি তাঁকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে নির্দিষ্ট কোনো স্থানে প্রলুব্ধ করে নিয়ে গিয়েছিল? শায়লা হাসপাতালের পেছনের ধানক্ষেতেই কি প্রাণহানি ঘটেছিল, নাকি অন্য কোথাও হত্যার পর মরদেহ সেখানে এনে ফেলা হয়েছিল?

​মাথায় আঘাতটি ঠিক কোন স্থানে এবং কীভাবে করা হয়েছিল? হত্যাকাণ্ডের পেছনে কি পৈতৃক সম্পত্তির বিরোধ, নাকি আগের রাতের কোনো ঝগড়া—কোনটি দায়ী?

​আরেকটি বড় প্রশ্ন—হানিফ উদ্দিন সুমনকে চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে পুলিশ আসলে কী তথ্য উদ্ধার করেছিল? সেই প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তীতে তদন্ত কোন দিকে মোড় নিয়েছিল?

​এক বছর অতিক্রান্ত হলেও এসব প্রশ্নের কোনো পূর্ণাঙ্গ উত্তর মেলেনি।

​ময়নাতদন্তে নুমানের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড বলে নিশ্চিত করা হলেও পরিবারের এখন একটাই প্রত্যাশা—সব দ্বন্দ ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগের ঊর্ধ্বে উঠে বাস্তবভিত্তিক আলামত ও প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত সম্পন্ন করে প্রকৃত অপরাধীদের জাতির সামনে উন্মোচন করা হোক।

​গত একটি বছর ধরে নুমান উদ্দিনের স্বজনেরা প্রহর গুনছেন—কবে কাটবে এই রহস্যের কুয়াশা, আর কবে মিলবে প্রিয়জন হারানোর বিচার?

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

জকিগঞ্জ দর্পণ-এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না
আমানি হোমস প্রপার্টিজ কর্তৃক প্রকাশিত ও সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট